দীর্ঘদিনের মন্থরগতি ও আস্থার সংকট কাটিয়ে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (DSE) বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ডিএসই-র প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স (DSEX) ৫৫ দশমিক ৪ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৫ হাজার ৮৪০ পয়েন্টের ঘরে উন্নীত হয়েছে। একই সাথে সার্বিক লেনদেনের পরিমাণও আগের দিনের তুলনায় ২০ শতাংশের বেশি বেড়ে ৮৭০ কোটি ৫০ লাখ টাকায় পৌঁছেছে, যা বিগত চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেনের রেকর্ড। বাজারের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারায় আশার আলো দেখছেন সাধারণ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা।
খাতভিত্তিক লেনদেন ও দর বৃদ্ধির শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলো
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, লেনদেনে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে ব্যাংকিং, ফার্মাসিউটিক্যালস এবং টেলিকমিউনিকেশন খাত। দিনশেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৯৬টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ২৪৫টির দর বেড়েছে, ৯৮টির দর কমেছে এবং ৫৩টি কোম্পানির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। লভ্যাংশ ভালো দেওয়া মৌলভিত্তিসম্পন্ন শেয়ারগুলোর ওপর দেশি ও বিদেশি বড় বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ায় মূল্যসূচকে এই বড় লাফ দেখা গেছে।
শেয়ারবাজারে কৃত্রিম নিয়ন্ত্রণ না রেখে স্বাভাবিক বাজার আচরণ করতে দেওয়া এবং সুশাসন নিশ্চিত করায় বিনিয়োগকারীদের আস্থা দ্রুত ফিরছে।
বিএসইসির নীতিগত সংস্কার ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (BSEC) নতুন চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, বাজারে কারসাজি বা অসচ্ছতা রোধে ডিজিটাল সার্ভেইল্যান্স জোরদার করা হয়েছে। আইপিও অনুমোদন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনয়ন এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানির আর্থিক বিবরণী নিয়মিত নিরীক্ষার কারণে বাজারে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক ধারা তৈরি হচ্ছে।








